ইলেক্ট্রনিক্স কম্পোনেন্ট পরীক্ষা করনসহ কারেন্ট ও ভোল্টেজ মাপা
৫ সপ্তাহ

ইলেকট্রনিক্স কম্পোনেন্ট পরীক্ষা এবং কারেন্ট ও ভোল্টেজ মাপার চ্যাপ্টার থেকে আমরা নিচের বিষয়গুলো শিখতে পারি:
১. ইলেকট্রনিক্স কম্পোনেন্টের কাজ এবং ধরন:
  • বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স কম্পোনেন্ট যেমন রেজিস্টর, ক্যাপাসিটর, ডায়োড, ট্রানজিস্টর, ইন্ডাক্টর ইত্যাদির কাজ, বৈশিষ্ট্য এবং শ্রেণীবিভাগ সম্পর্কে জানা।
  • এগুলোর চিহ্নিতকরণ ও মান নির্ধারণের পদ্ধতি।
২. কম্পোনেন্ট পরীক্ষার কৌশল:
  • মাল্টিমিটার বা অন্যান্য যন্ত্র ব্যবহার করে রেজিস্টর, ক্যাপাসিটর, ডায়োড এবং ট্রানজিস্টরের কার্যক্ষমতা যাচাই করা।
  • শর্ট সার্কিট, ওপেন সার্কিট বা কম্পোনেন্টের ত্রুটি সনাক্ত করার পদ্ধতি।
৩. কারেন্ট এবং ভোল্টেজ পরিমাপ:
  • কারেন্ট মাপা:
    • সিরিজ এবং প্যারালাল সার্কিটে কারেন্ট পরিমাপ করার কৌশল।
    • কারেন্টের ইউনিট (অ্যাম্পিয়ার) এবং তা মাপার জন্য অ্যামিটার বা মাল্টিমিটার ব্যবহারের পদ্ধতি।
  • ভোল্টেজ মাপা:
    • ভোল্টমিটার ব্যবহার করে ভোল্টেজ পরিমাপ করা।
    • AC এবং DC ভোল্টেজের পার্থক্য এবং মাপার পদ্ধতি।
৪. মাল্টিমিটারের ব্যবহার:
  • মাল্টিমিটার দিয়ে রেজিস্ট্যান্স, কারেন্ট এবং ভোল্টেজ পরিমাপের প্রাথমিক দক্ষতা অর্জন।
  • মাল্টিমিটারের সঠিক সেটিং এবং স্কেল নির্বাচন।
৫. সার্কিট বিশ্লেষণ ও সমস্যা সমাধান:
  • সার্কিটে কারেন্ট এবং ভোল্টেজের রিলেশন (ওহমের সূত্র) বুঝে সমস্যা সমাধান।
  • শর্ট সার্কিট, ওপেন সার্কিট এবং ওভারলোড ইস্যু শনাক্তকরণ ও সমাধানের পদ্ধতি।
৬. সুরক্ষা ব্যবস্থা:
  • কারেন্ট ও ভোল্টেজ মাপার সময় সুরক্ষা নিশ্চিত করার উপায়।
  • সরঞ্জাম ও ইলেকট্রনিক্স ডিভাইসের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল।

এই চ্যাপ্টারটি আপনার তাত্ত্বিক জ্ঞান বাড়ানোর পাশাপাশি বাস্তব দক্ষতা অর্জনে সাহায্য করবে। এটি ইলেকট্রনিক্সের বেসিক ধারণা পরিষ্কার করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অকুপেশন